প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবাধে চলছে শীলপাটাকাটার ব্যবসা।




সারা বিশ্বে যখন করোনা মহামারীতে হু হু করে বেড়ে চলেছে মৃত্যুর মিছিল । ঠিক সেই মুহূর্তে আক্কেলপুরে অবাদে শীলপাটাকেটে পরিবেশ দূষণ করে চলেছে এক প্রকার শীলপাটা ব্যবসায়ী ( ৮আগষ্ট)বিকাল ৪টায় সড়েজমিনে গিয়ে দেখা যায় ।আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের উদার নামক আদর্শ গ্রামে একাধিক মেশিন দ্বারা শীলপাটা কেটে এলাকার পরিবেশ চরম ভাবে দূষণ করে চলেছে।

ঘটনা স্থলে উপস্থিত হওয়া মাত্র সাংবাদিকের খবর পেয়ে প্রায় অর্ধশত নারী-পুরুষ উপস্থিত হয়ে ইউনিয়নের চক্রপাড়া গ্রামের মৃত,কায়েজ উদ্দিনের ছেলে ফজলুর রহমান এক জন প্রভাবশালী বাক্তি সে বিভিন্ন মহলে প্রভাব খাঁটিয়ে প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন থেকে এই গুচ্ছ গ্রাম এলাকায় গরীব, অসহায় ব্যক্তিদের অর্থের লোভ দেখিয়ে এই পাটাকাটা কাজে নিয়োজিত করেছে।

এর ফলে পাটাকাটায় দুষিত উড়ন্ত ধুলি কণা এলাকার বসবাস কারিদের।নানা রোগে আক্রান্ত করছে। বিশেষ করে,শিশুও বৃদ্ধ বাক্তিদের সর্দি, জ্বর ,হাসি,কাশি সহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে দুর্বিষহ জীবন জাপান করছে। এলাকাবাসী জানান এই পাটাকাটা কাজে নিয়োজিত বেশ কয়েক জন বাক্তি রোগ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরনও করেছে।
স্থানীয় প্রশাসন পাটাকাটার বিষয়টি বাড় বাড় নিষেধ করা সত্বেও অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফার লোভে তার এহেনো অন্যায় কাজে সকল অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে । বিষয়টি এলাকার সমাজ সচেতন মানুষকে চরম ভাবে ভাবিয়ে তুলেছে । এই মরণঘাতি পাটাকাটার ধুলি কণা দ্বারা আক্রান্ত বাক্তিদের বিষয়ে আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ ফরহাদ হোসেন বলেন। এই পাটকাটার ধুলি কণায় আক্রান্ত হলে। সিলিকসিস,যক্ষা ফুসফুসের এক ধরনের কান্সারে পরিণত হয়। এবং আক্রান্ত বাক্তি সল্পসময়ে মৃত্যু বরণ করেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম হাবিবুল হাসান বলেন। পাটা কাটা বিষয় আইনগত কোন অনুমোদন নাই । কাওকে পাটাকাটার খবরপেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

Leave a comment