অতিবৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত চরের সাধারণ বাদাম চাষীরা।

মোঃ ছামিউল ইসলাম মিশন, গজঘন্টা (গংগাচড়া,রংপুর) প্রতিনিধি;৭ই জুন

গংগাচড়ার লক্ষীটিরি ইউনিয়নের চর এলাকার ( মান্দ্রাইনের উত্তরের দোলা ও নালার পারের আশেপাশের নিচু প্রায় ২০-২৫ দোন জমিতে চলতি মৌসুমে দেশি ও হাইব্রিড জাতের বাদামের চাষ করে ছিল। ঐ এলাকার আশেপাশের সাধারণ কৃষকরা কিন্তু এবারের অতিবৃষ্টির কারনে ফসল নষ্ট হয়ে যায়। ফলে কৃষক তার কাংখিত ফসল ঘরে তলতে ব্যার্থ।
ঐ এলাকার কৃষক মোঃ ইসমাইল হোসেন জানায় প্রতি বছর চলতি মৌসুমে এই এলাকার কৃষকরা দেশি ও হাইব্রিড জাতের বাদামের চাষ করে থাকে। কিন্তু এবারের অতিরিক্ত বৃষ্টি ও বাদাম চাষের জমি নিচু হওয়ার জন্য পানি জমে থাকে ৮-১০ দিনের মত। আর এখন ও বাদামের দানা পরিপক্ক না হওয়ায় জমে থাকা পানির কারণে তা নষ্ট হয়ে যায়।
এছাড়া অন্যান্য একজন অভিযোগ করে বলেন যে জমে থাকা পানি ও পাশের নালার পানির সঠিক ব্যাবস্থাপনা না থাকায় এমন অবস্থা হয়েছে।
আর ও বলেন যে এই এলাকার চাষকৃত বাদাম ফ্যাক্টরিতে প্রক্রিয়া জাত করনের মাধ্যমে সোয়াবিন তেল সহ অন্যান্য খাদ্য তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। এটি অর্থকরী ফসল যা বিক্রয়ের মাধ্যমে কৃষক তার আর্থিক সহায়তা পায় ও এ চাষের কাজে অনেক মানুষ তাদের জীবিকা নির্বাহ করে।
তাই সাধারণত কৃষকদের দাবি পানির সঠিক ব্যাবস্থাপনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি নিশ্চিত করার আহ্বান জানায় ও করোনা পরিস্থিতি অসহায় কৃষকদের পাশে দারানো ও আর্থিক সহায়তা চান জনপ্রতিনিধির কাছে।

Leave a comment